Skip to main content

প্রিয় ব্যক্তিকে ভালবাসার আগে বিশ্বাস করতে শিখুন, ভরসা করতে শিখুন...।

প্রিয় ব্যক্তিকে ভালবাসার আগে বিশ্বাস করতে শিখুন, ভরসা করতে শিখুন...।

যে মানুষটাকে ভালবাসেন তাকে যদি বিশ্বাসই না করতে পারেন তাহলে তাকে সম্মান কিভাবে করলেন?

সম্পর্কে অভিমান অভিযোগ বাড়ে সাথে কিঞ্চিৎ দূরত্বও বাড়ে...। দূরত্ব না বাড়লে কখনো বুঝতেই পারবেন না আসলে ঠিক কতটা ভালবাসেন।

তাই বলে যদি দূরত্বটা অনেক অনেক বেড়ে যায় তাহলে সত্যিই তাকে হারাবেন।

চাইলেই একটা সম্পর্ক নিমিষেই শেষ করে দেওয়া যায়.। বলে ফেলা যায় তোমার সাথে আমার আর থাকা হচ্ছে না..।

কিন্তু প্রকৃত পক্ষে যারা হাজার বাঁধার মধ্যেও সম্পর্কটাকে টিকিয়ে রেখেছে বার বার বহুবার বলেছে ভালবাসি বুকের মধ্যে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রেখেছে প্রিয় মানুষটাকে তারাই জিতেছে, তারাই হয়েছে প্রকৃত প্রেম প্রিয় মানুষ ।

কেউ একজন প্রশ্ন করেছিল, ভাইয়্যা ভালবাসা মানে কি?

উত্তরে বলেছিলাম ভালবাসা মানে সম্মান।

দুজন দুজনের প্রতি সম্মান থাকা মানেই তুমি তাকে ভরসা করো বিশ্বাস করো।

আর যদি তুমি তা না করতে পারো তাহলে আজ নয়তো কাল এ সম্পর্ক ভাংবেই।

সন্দিহান ভালবাসা আর যাই হোক পরিপূর্ণ একটা সম্পর্ক তৈরী করতে পারে না।

পরস্পরের প্রতি ভালবাসা থাকুক সম্মানিত ভরসা, আস্থা ও বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে।

ভাল থাকুক প্রতিটা মানুষ তাদের প্রিয় মানুষ কে নিয়ে।

Comments

Popular posts from this blog

বড় ছেলে

  একটা সংসারে পরিবারের বড় ছেলে হওয়াটা আসলে অনেক বড় একটা অপরাধের ন্যায়, আর সেই সংসারটা যদি হয় একটা মধ্যবিত্ত পরিবার তাহলে তো আরো মারত্মক। আসলে বড় হয়ে জন্ম নেওয়াটা নিজের উপর নির্ভর করে না, এটা সম্পূর্ণ সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা। তাই একে অপরাধ বলাটা ঠিক হবে, তবে আমি বলতে চাই এটা অনেক বেশী কষ্টের বা চ্যালেঞ্জিং। সত্যিকার অর্থেই পরিবারে একটা বড় ছেলে হয়ে আসার পিছনের অনেক বেশি কষ্ট লুকিয়ে থাকে। হয়তো বা আমার কাছে যেগুলো কষ্টকর মনে হবে অন্যের কাছে সেগুলোর ব্যাখ্যা অর্থহীন। কিন্তু আমার কাছে অনেক ছোট ছোট বিষয় গুলোও অনেক বেশি অনুভুতি নিয়ে খেলা করে। ঘরের বড় সন্তান হিসাবে সবসময় সব বিষয়ে নিজের স্বার্থটায় ছাড় দেওয়া লাগে, প্রথমে ছোটদের কথা বিবেচনা করে পরে নিজেরটা ভাবতে হয়। হ্যাঁ এটা অনেক সাধারণ ব্যাপার, কিন্তু অনেক সময় নিজের এই প্রাপ্তি আর অপূর্ণতার খেলার ছলে নিজের স্বপ্ন গুলোই অপূর্ণ থেকে যায়। আর কোন এক সময় সেই স্বপ্ন গুলো মেঘের আড়ালে ঢাকা পড়ে যায়, হারিয়ে যায় শুধুমাত্র কল্পনার জগতে। বাবা-মার প্রথম সন্তান হিসাবে সব সময় নিজের উপর একটা বাড়তি চাপ থাকে, হয়তো কারো উপর সেটা পারিবারিক ভাবে কারো বা আবার নিজের মান...

Permanent settlement pdf

 https://sg.docworkspace.com/d/sIBuAy5tln9i5ggY WPS Office: Complete office suite with PDF editor Here's the link to the file: https://sg.docworkspace.com/d/sIBuAy5tln9i5ggY Shared from WPS Office: https://kso.page.link/wps

সৈয়দ শামসুল হকের জন্মদিন

 সৈয়দ শামসুল হক ১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দে ২৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সৈয়দ সিদ্দিক হুসাইন ও মা হালিমা খাতুন। বাবা সৈয়দ সিদ্দিক হুসাইন পেশায় ছিলেন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার। সৈয়দ হক তার বাবা-মায়ের আট সন্তানের জ্যেষ্ঠতম। সৈয়দ শামসুল হক (২৭ ডিসেম্বর ১৯৩৫ - ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬) বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে সক্রিয় একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী সাহিত্যিক। কবিতা, উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্প, অনুবাদ তথা সাহিত্যের সকল শাখায় সাবলীল পদচারণার জন্য তাকে 'সব্যসাচী লেখক' বলা হয়। তার লেখকজীবন প্রায় ৬২ বছর ব্যাপী বিস্তৃত।[১] সৈয়দ শামসুল হক মাত্র ২৯ বছর বয়সে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেছিলেন। বাংলা একাডেমি পুরস্কার পাওয়া সাহিত্যিকদের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে কম বয়সে এ পুরস্কার লাভ করেছেন।[২] এছাড়া বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক এবং ২০০০ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।